বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন
ফরহাদ আমিন:
টেকনাফ ২বর্ডার গার্ড বিজিবি’র ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার (২৭অক্টোবর) দুপুরে ২বিজিবি’র খেলা মাঠে এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, কক্সবাজারের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো:মহীউদ্দীন আহমেদ।
এর আগে টেকনাফের ২বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর প্রশিক্ষণ মাঠে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তিনি।
২ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃকর্নেল আশিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এস. এম.খায়রুল আলম, উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল জসীম উদ্দিন, ব্যাটালিয়ন ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দো প্রমুখ।
জানা যায়, অনুষ্ঠানে প্রজেক্টরের মাধ্যমে ২বিজিবি-র ইতিহাস, সাফল্য ও আত্মত্যাগের কাহিনি প্রদর্শিত হয়। ১৯৪৮সালের ২৭ অক্টোবর ময়মনসিংহে ব্যাটালিয়নটির যাত্রা শুরু হয়। ৭৭ বছরের গৌরবময় ইতিহাসে এই ইউনিটের ৩৪ জন বীর সেনানী জীবন উৎসর্গ করেছেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত তাদের অবদান অম্লান। ১৯৯৯ সালে ২বিজিবি অর্জন করে বাংলাদেশ রাইফেলস স্ট্যান্ডার্ড পদক। ২০১৫সালে টেকনাফে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ব্যাটালিয়নটি সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদকবিরোধী যুদ্ধে অসামান্য সাফল্য দেখিয়ে যাচ্ছে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃকর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, যতদিন উড়বে লাল-সবুজ পতাকা, ততদিন আমরা দেশের সর্বদক্ষিণ সীমান্তের দুর্ভেদ্য প্রাচীর। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই মহেন্দ্র ক্ষণে যাদের আত্মত্যাগে, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ টেকনাফ ব্যাটালিয়ন এই মর্যাদায় আসীন-তাঁদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও অশেষ কৃতজ্ঞতা। আজকের এই দিনে আমারা নতুন করে আবার শপথ নিয়েছি আত্মপ্রত্যয়ী- সত্যবাদীতা ও ন্যায়- পরায়ণতার মধ্যে দিয়ে আমরা যেন আমাদের উপর অর্পিত যে কোন দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে পিছপা হবে না এবং প্রয়োজনে দেশ মাতৃকার অখন্ডতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে দিতে কুন্ঠাবোধ করবো না। দেশ মাতৃকার সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে বিজিবি হবে সীমান্তে নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতিক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কক্সবাজার রিজিয়নের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মহি উদ্দিন আহমেদ বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মানবপাচার নিয়ন্ত্রণে ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভূমিকা অনন্য। তারা শুধু সীমান্ত নয়, সমাজ উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।